Style Options
২০১৯ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক কোর্সে ভর্তির জন্য আবেদন করা যাচ্ছে, যোগাযোগঃ 01738268881  |  

শহীদ আকবর আলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজ

Picture

কলেজের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
শহীদ আকবর আলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৯৮ সালে। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে নাম হয় শহীদ আকবর আলী মহিলা মহাবিদ্যালয়। অত্র কলেজটি ০১/০৫/২০০৪ সালে এমপিও ভুক্ত হয়। শহীদ আকবর আলী মহিলা মহাবিদ্যালয়কে শহীদ আকবর আলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজ এ রুপান্তর হয় ০৫/০২/২০১০ খ্রিঃ। 
ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলাস্থ শহীদ আকবর আলী বিজ্ঞান প্রযুক্তি কলেজকে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর অধিভুক্ত করার জন্য ২৬/১১/২০১২ খ্রিঃ তারিখে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০তম একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় অধিভুক্তি প্রদানের বিবেচ্য বিষয়টি অনুমোদন করা হয়। বিগত ১৩/০৪/২০১৩ খ্রিঃ তারিখে রিজেন্ট বোর্ডের ৩০তম সভার ৭নং আলোচ্য বিষয়ের সিন্ধান্ত ক্রমে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০১সনের ৩৫ নং আইনের () এর ধারা অনুয়ায়ী শহীদ আকবর আলী বিজ্ঞান প্রযুক্তি মহাবিদ্যালয় কে হাবিপ্রবি- অধিভুক্ত কলেজ হিসাবে চুড়ান্ত ভাবে অনুমোদন করা হয়। ২০১৪ শিক্ষাবর্ষে এগ্রিকালচার, বিবিএ, এবং সিএসই তে  লেভেল-, সেমিস্টার- কোর্সে ভর্তির নিমিত্তে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুমতি দেয়া হয়

 ্শহীদ আকবর আলীর জীবনী

শহীদ আকবর আলীর জন্ম ১৯১৭ সালে ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ৮নং বড়বাড়ী ইউনিয়নের বড়বাড়ী গ্রামে। বাবা মো. হাজী নসর উদ্দীন এবং মা মোছা. কুড়ানী বিবি। পাঁচ (৫) ভাই-বোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। গ্রামেই তাঁর শৈশব কাটে। পড়াশুনা শুরু করেন তাঁর পিতার স্থাপিত বড়বাড়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ছেলেবেলা থেকেই তাঁর মনে দেশাত্ববোধ জন্ম নেয়। পিতার সেই দেশপ্রেম সঞ্চারিত হয় সন্তানদের মাঝেও। পিতার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সন্তানরাও মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। তাঁর প্রথম ছেলে  আলহাজ্ব মো. দবিরুল ইসলাম, দ্বিতীয় ছেলে আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী,  তৃতীয় ছেলে মো. কামরুজ্জামান ও জামাতা আলিম উদ্দীন মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। শহীদ আকবর আলী তেভাগা আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন । ব্যাক্তিজীবনে তিনি বাম রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধের সেই ভয়াল দিনগুলিতে পাক হানাদার বাহিনী তাকে, তাঁর এক ছেলে এবং জামাতাকে ধরে নিয়ে যায়। অমানুসিক অত্যাচার করার পর ছেলে এবং জামাতাকে ছেড়ে দিলেও পাক হানাদার বাহিনী শহীদ আকবর আলীকে ছেড়ে দেয় নি। আজ পর্যন্ত তাঁর লাশের সন্ধান পাওয়া যায় নি। 

অবশেষে দেশের স্বাধীনতার জন্য দেশপ্রেমিক এই মানুষটি তাঁর জীবন উৎসর্গ করেন এবং রেখে যান স্ত্রী মোছা. লতিফুন নেছা এবং পাঁচ ছেলে ও তিন মেয়েকে ? তাঁর প্রথম ছেলে আলহাজ্ব মো. দবিরুল ইসলাম বর্তমানে ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য এবং গণপূর্ত ও গৃহায়ণ মন্ত্রনালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি। তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতির দায়িত্বও পালন করছেন। দ্বিতীয় ছেলে আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী বর্তমানে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবং ১৯৭১ সালে তিনি ঠাকুরগাঁও মহকুমা স্বাধীনতা ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক ছিলেন। তৃতীয় ছেলে মো. কামরুজ্জামান বর্তমানে একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। চতুর্থ ছেলে আলহাজ্ব মো. সফিকুল ইসলাম বর্তমানে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামেলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি। পঞ্চম ছেলে মো. আজহারুল ইসলাম পেশায় একজন প্রকৌশলী, লেখাপড়ার পর তিনি চেক রিপাবলিক  এ বসবাস করছেন। 

মুক্তিযুদ্ধে নিখোঁজ এই মানুষটিকে স্বরণীয় করে রাখতে তাঁর দ্বিতীয় ছেলে আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী শহীদ আকবর আলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে কলেজেটিতে তিনটি বিষয়ে ¯œাতক কোর্স চালু করা হয়েছে।